মাতবাখ (বোর্ডিং) সংক্রান্ত বিধানাবলি

১। নির্ধারিত ফরম পূরণপূর্বক নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে বোর্ডিং থেকে খাবার চালু করতে হবে।
২। মাসিক ফি প্রতিহ ইংরেজি মাসের পাঁচ তারিখের মধ্যেই পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় ৬ তারিখ সকাল থেকে খাবার বন্ধ থাকবে।
৩। জামেয়া কর্তৃপক্ষ খাওয়া-দাওয়ার যে ব্যবস্থা করবেন, তাতে কৃতজ্ঞ ও সন্তুষ্ট থাকতে হবে। এতে কোনো প্রকার অনুচিত অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হবে না।
৪। জামেয়া কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে প্রতিদিন তিনবার নির্ধারিত স্থানে খানা খেতে হবে এবং প্রত্যেকবার খাবার শেষে রুটিন অনুযায়ী খাবার ঘর পরিষ্কার পরিচন্ন করে রাখতে হবে, অন্যথায় খাবার বন্ধ থাকবে।
( নির্ধারিত সময়ের পর খাবার দেওয়া হবে না। এতে সমস্যা হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।)
৫। মাতবাখ থেকে প্রদত্ত তিনবেলার খাবার ও লবণ ব্যতিত অন্য কোনো জিনিস (তথা তেল, পিয়াজ, রসুন, মরিচ ইত্যাদি) নেয়া সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। শুধুমাত্র উস্তাদগণের প্রয়োজনে নাজিমে মাতবাখকে অবগত করে নেওয়া যাবে।
৬। বাবুর্চিগণ ভাত-তরকারি বণ্টন করে দিবেন। ছাত্ররা নিজ হাতে কোনো কিছু বণ্টন বা গ্রহণ করতে পারবে না।
৭। ছুটি নিয়ে কোথাও যেতে চাইলে নাজিমে মাতবাখকে অবগত করে খানা বন্ধ করে যেতে হবে। খানা জারি রেখে চলে গেলে ১০০ টাকা জরিমানা দিয়ে খানা চালু করতে হবে।
৮। খাবার জারি করার সময়: সকাল ৯ টা থেকে ৯.৩০, বাদ আসর আধা ঘণ্টা ও বাদ এশা আধা ঘণ্টা।
৯। সাময়িক ছুটিগুলোর পর বাড়ি থেকে আসলে খাবার রান্না করার পূর্বেই খানা জারি করে নিতে হবে। না হয় খাবার দেওয়া হবে না।
১০। ছাত্ররা নিজেদের ব্যক্তিগত কোনো মেহমানকে মাতবাখ থেকে খানা খাওয়াতে পারবে না। উস্তাদগণের মেহমানের ক্ষেত্রে মাতবাখ জিম্মাদারের অনুমতি সাপেক্ষে মেহমানদারি করা যাবে।
১১। খানা অতিরিক্ত উঠানো হলে তা নষ্ট না করে সাথে সাথে মাতবাখে ফেরত দিতে হবে। বিষয়টির প্রতি উস্তাদগণের খাদেমদের বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখা উচিৎ।
১২। কারো খানা বন্ধ থাকলে অন্য কেউ তাকে মাতবাখের খানা খাওয়াতে পারবে না।